ভারতে সরকার পরিবর্তন হলেও সম্পর্ক অটুট থাকবে :পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভর করে এই সম্পর্ক পরিপক্বতা লাভ করেছে। ভারতের আসন্ন নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হলেও দুই দেশের সম্পর্ক অটুট থাকবে। গতকাল বুধবার ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের  সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার স্থল, সমুদ্রসীমাসহ অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান হয়েছে। বিশ্বে এটা আদর্শ মডেল হিসেবে চিত্রিত হতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর ও উষ্ণ হবে। এ সময় রিভা গাঙ্গুলী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের একটি চিঠি ড. মোমেনের নিকট হস্তান্তর করেন। চিঠিতে সুষমা স্বরাজ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘সত্যিকারের সোনালী অধ্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনায়কত্বের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে এবং বাংলাদেশ-ভারতের অংশীদারিত্ব আরো সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে চাই। রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান। তিনি বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে গভীর ও চমত্কার সম্পর্ক রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের মানুষে-মানুষে যোগাযোগ, কানেক্টিভিটি, বিদ্যুত্ সহযোগিতা, ক্রেডিট লাইনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয়

হাইকমিশনারের সাক্ষাত্

গতকাল আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গেও সাক্ষাত্ করেন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস। সাক্ষাতের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইনের ক্ষেত্রে, বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে আমাদের দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা নিয়েও কথা বলেছি। আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি যে, লিগ্যাল ড্রাফটিংয়ের বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য কিছু কর্মকর্তাকে ভারতে পাঠাব। ভারতে উন্নতমানের একটা ড্রাফটিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আছে।