চারঘাটে কেমিক্যাল মেশানো আম জব্দ, জরিমানা

 
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মেরামতপুর গ্রামের একটি বাগানে কেমিক্যাল মেশানোর সময় হাতে নাতে ধরে সাত মণ আম ধ্বংস ও মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় চারঘাট মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) উৎপল কুমারের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
 
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিষিদ্ধ কেমিক্যাল মেশানো সাত মণ আম জব্দসহ মালিক এমারুল ইসলামকে আটক করে। পরে চারঘাট বাজারের সুইস গেট জনসম্মুখে জব্দকৃত আম চারঘাট মডেল থানার পিকআপ গাড়ি মাধ্যমে নষ্ট করা হয় এবং আমে কেমিক্যাল মেশানোর দায়ে বাগান মালিক এমারুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও আশরাফুল ইসলাম। দণ্ডিত আমের মালিক এমারুল উপজেলার উত্তর মেরামতপুর গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে।
 
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জনস্বাস্থ্যর জন্য হুমকির কারণে কেমিক্যাল মেশানোর দায়ে আমের মালিক এমারুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারা মোতাবেক নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। জব্দকৃত কেমিক্যাল মেশানো আমগুলো চারঘাট বাজারে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। অভিযুক্ত জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিক পরিশোধ করে মুক্তি পেয়েছেন।
 
তিনি আরও বলেন, 'আম এখন পুরোপুরি পরিপক্ব হয়নি। কিন্তু এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে আমের রং তৈরি করতে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিযুক্ত নিষিদ্ধ ইথানিল নামক কীটনাশক প্রয়োগ করছিল।' এধরণের অপকর্ম বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
 
এদিকে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ভেজাল বিরোধী অভিযানে উপজেলার সরদহ বাজারে শেখ মিষ্টি ভাণ্ডার দোকান মালিক ১০ হাজার, শাহাবুদ্দিন মুদি দোকানকে ১০ হাজার, আশরাফ ভ্যারাইটি ৫ হাজার ও রোকমান হোটেল এক হাজার টাকা জরিমানা করে তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং তামাকজাত বিরোধী আইনে এই জরিমানা করা হয়।
 
ইত্তেফাক/জামান