লন্ডন ব্রিজ ও বারো মার্কেটে শনিবার রাতের ভয়াবহ হামলার দায় স্বীকার করেছে তথাকথিত জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট- আইএস। এই গোষ্ঠীর বার্তা সংস্থা হিসেবে পরিচিত আমাক এজেন্সির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ‘এটি আইএস যোদ্ধাদের একটি বিচ্ছিন্ন হামলা।’ কিন্তু মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সন্ত্রাসবিরোধী বিশ্লেষক পল ক্রুইকশেঙ্ক বলেন, ‘এই হামলার দায় স্বীকারের পেছনে কোনো তথ্য ও প্রমাণ হাজির করতে পারছেনা আইএস।’
এর আগেও, গত সপ্তাহে ম্যানিলার একটি রিসোর্টে হামলার দায় স্বীকার করেছিলো আইএস। কিন্তু তখন থেকেই এর সত্যতা নাকচ করে দেয় ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, ‘হামলাটি সন্ত্রাস সম্পর্কিত নয়, এতে ডাকাতির প্রচেষ্টা ছিলো।’
IMG0
তারপরও আমাক নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, এক ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে এই হামলা চালানো হয়। আরব বিশ্ব থেকে ব্রিটিশ সেনাদের সরিয়ে না নেওয়াকেই এই হামলার কারণ বলে দাবি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, লন্ডনের স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে তিন ব্যক্তি পথচারীদের উপর গাড়ি তুলে দিয়ে এবং ছুরিকাঘাতে হামলা চালায়। লন্ডন ব্রিজে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দেওয়ার পর বোরো মার্কেট এলাকায় হামলাকারীরা একাধিক মানুষকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ সন্দেহভাজন জঙ্গিসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত ৪৮ জনের চিকিৎসাধীন খবর জানা গেছে। এদের মধ্যে ২১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
IMG1
এ হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, যে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সবাইকে একত্রিত হবার এখনই সময়। তিনি বলেছেন ‘উগ্রপন্থাকে অতিরিক্ত সহ্য করা হচ্ছে এদেশে, তা বন্ধ করতে হবে।’ তার ভাষায় ‘যথেষ্ট হয়েছে। আর নয়। শত্রু মোকাবেলার জন্য এখনই সময়।’
দুই সপ্তাহ আগে ম্যানচেস্টার অ্যারেনায় আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। আর গতকাল শনিবার লন্ডনের কেন্দ্রস্থলেই হলো আরো একটি হামলা। বিবিসি ও সিএনএন।
ইত্তেফাক/সেতু