বয়স জালিয়াতি করে অতিরিক্ত দুই বছর চাকরি করা সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সচীন কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পেনশন হতে দুই বছরের টাকা কর্তনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও তিনি জালিয়াতি করে অতিরিক্ত দুই বছর চাকরিতে বহাল ছিলেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা প্রফেসর সচীন কুমার রায় (অধ্যাপক ইতহাস), অধ্যক্ষ সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ এর বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল ) বিধিমালা ১৯৮৫ এর ৩(বি) ৩(ডি) মোতাবেক “অসধাচরণ” ও “দুর্নীতি” এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হলে তিনি ব্যক্তিগত শুনানীর আবেদন করেন। ২০১৮ সালের ৩ মে ব্যক্তিগত শুনানী গ্রহণ করা হয়।
শুনানীকালে তিনি যুক্তিসংগত কারণ তথ্য/উপাত্ত্য উপস্থাপন করতে পারেননি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলে সেখান থেকে জানানো হয় সচীন কুমার রায়ের চাকরিতে আবেদনের সময় জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ ঘোষণা করায় বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস পার্ট-১ এর বিধি ৯ অনুযায়ী জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। তার জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি পিআর এল গমন করেছেন। সার্বিক বিবেচনায় প্রকৃত জন্ম তারিখ হিসেব করে অতিরিক্ত দুই বছরের বেতন ভাতাদি বাবদ গৃহীত সমুদয় অর্থ পেনশন হতে কর্তনপূর্বক বিভাগীয় মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি