ইরানের পার্লামেন্টে ও আয়াতুল্লাহ খোমেনির মাজারে সন্ত্রাসীদের আত্মঘাতী বোমা হামলা ও গুলিতে কমপক্ষে ৭ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তৃতীয় হামলা পরিচালনার পরিকল্পনাকারী একটি জঙ্গি দলকে আটক করা হয়েছে। এই বিষয়ের বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট এই হামলার দায় স্বীকার করলেও দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি। যদি বিষয়টি নিশ্চিত করা যায় তাহলে এটি হবে ইরানে আইএসের প্রথম হামলা। েইরানের মধ্যপন্থি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে বুধবার ইসলামি বিপ্লবের জনপ্রিয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির মাজার ও পার্লামেন্টে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পার্লামেন্ট সদস্য ইলিয়াস হজরতি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, একটি পিস্তল ও ২টি একে ৪৭ রাইফেল নিয়ে তিন হামলাকারী পার্লামেন্টে হামলা করে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরিব জানিয়েছে, সেখানে এক হামলাকারী আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে কিছু গণমাধ্যমের দাবি হামলাকারীদের গ্রেনেড থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তাসমিন নিউজ এজেন্সি অসমর্থিত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, পার্লামেন্ট ভবনে চারজনকে জিম্মি করেছে জঙ্গিরা। ৭ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরো অনেকে।
এদিকে বিবিসি ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১২ ছাড়িয়েছে।
প্রেস টিভি ইরান তেহরানের গভর্নরের বরাতে জানিয়েছে, পার্লামেন্টে হামলার আধা ঘণ্টার মধ্যে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মাজারে গুলি করে কয়েকজনকে আহত করে এক অস্ত্রধারী হামলাকারী। এক হামলাকারী আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়, একজনকে আইনশৃঙ্খলাকারী বাহিনী হত্যা করেছে এবং আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/সাব্বির