বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ অবাধ সুষ্ঠু ও সবার অংশগ্রহণ চায় কি-না তা নিয়ে এখনো জনমনে ব্যাপক সংশয় রয়েছে। ভরাডুবির ভয়ে নানা প্রহসন ও নকশা করে যাচ্ছে। মূলত সরকার নির্বাচনী আওয়াজ তুলে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরানোর চেষ্টা করছে।
শুক্রবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব বলেন।
রিজভী বলেন, পবিত্র রমজান মাসেও দ্রব্যমূল্য লাগামহীন। মোটা চালের দাম ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। চালের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষ এখন খাওয়া কমিয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে। এই রমজানেও মানুষকে অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে। এমনিতেই মানুষ এখন দিশেহারা। আসলে এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তাই জনগণের ভাষা বোঝার ক্ষমতা তাদের নেই।
তিনি প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, বাজেটের বেশিরভাগই ভ্যাট ও কর নির্ভর। জনগণের পকেট থেকে অর্থ লুটের জন্যই এ বাজেট প্রণীত হয়েছে। ব্যাংক লেনদেনে আবগারি শুল্কারোপের মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যা নজিরবিহীন। আসলে দুর্নীতিবাজ সরকার ও তার মন্ত্রীরা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।
রিজভী বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পাল্লা দিয়ে ক্ষমতাসীনদের লুটপাট আর দুর্নীতি চলছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। বৃহস্পতিবারও সংসদে সরকারের এমপিরা বলেছেন, ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে দেশ থেকে পাচার করে দেয়া হচ্ছে। এতে দেশবাসী বিস্মিত হয়েছেন।
ইত্তেফাক/এএম।