ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার মূল ভুখণ্ডের ১নং মনপুরা ইউনিয়নের চৌমহনী বাজার সংলগ্ন ভাঙা বেড়িবাধ ও হাজিরহাট ইউনিয়নের পূর্ব সোনার চরের ভাঙা বেড়িবাধ দিয়ে পানি ঢুকে ১০ গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়ছে।
সোমবার পুনরায় জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১নং মনপুরা ইউনিয়নের আন্দিড়পাড়, কুলাগাজী তালুক, কাউয়ারটেক, ঈশ্বরগঞ্জ, কলাতলীচর, হাজিরহাট ইউনিয়নের সোনারচর, চরজ্ঞান, দাসের হাট ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরনিজাম গ্রামসহ ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়ছেন। প্র্রায় সহস্রাধীক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এ ছাড়া মূল ভুখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন কলাতলীচর, ঢালচর, চরনিজামসহ চারপাশে কোনো বেড়িবাধ না থাকায় পুর্ণিমার জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সব চরাঞ্চলে প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষের বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।
সরজমিনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও হাজিরহাট ইউপি চেয়ারম্যান দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পানিবন্ধী মানুষের জন্য জেলা প্রশাসক ৫ টন জি.আর ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম বলেন, ভাঙা বেড়িবাধ দিয়ে ভিতরে পানি প্রবেশ করে মানুষ পানিবন্ধী রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ হাওলাদার বলেন, পানিবন্ধী এলাকা পরিদর্শন করেছি। আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অভিহিত করেছি। জেলাপ্রশাসক পানিবন্ধী মানুষের জন্য ৫ টন জি আর ও নগদ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। মঙ্গলবার তা বিতরণ করা হবে।
ইত্তেফাক/ইউবি