বনানীতে নিখোঁজ চার যুবককে খুঁজছে পুলিশ

রাজধানীর বনানীতে একই দিনে নিখোঁজ হওয়া চার যুবককে খুঁজছে পুলিশ। গত ৩ জুন নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাদের আত্মীয়রা। নিখোঁজের ঘটনায় দায়ের করা দুই জিডির তদন্ত করছে পুলিশ। নিখোঁজদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের দুই কর্মকর্তা এসআই বজলুর রহমান ও এসআই সোহেল রানা।
 
গত ৩ জুন একই দিনে রাজধানীর বনানীর সি-ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ৬৭/এ, মোস্তফা ম্যানশনের ৫ম তলায় জিয়াউল হকের মালিকানাধীন ইন্টারকম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও টেলেক্স লিমিটেডের তিন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন (২৭) ও কামাল হোসেন (২৪) ও হাসান মাহমুদ (২৬) নিখোঁজ হন। এই তিন জনের নিখোঁজের সঙ্গে মহাখালী থেকে নিখোঁজ হওয়া তাওহীদুর রহমানের একটি যোগসূত্র রয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
 
নিখোঁজের ঘটনায় ৩ জুন রাতে কামাল হোসেনের মামা রশিদ আলম বনানী থানায় একটি জিডি করেন। পরদিন ইমাম হোসেনের বাবা বিল্লাল হোসেন বনানী থানায় আরো একটি জিডি করেন। রশিদ আলমের করা জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বজলুর রহমান বলেন, গুরুত্বের সঙ্গে জিডিটি তদন্ত করা হচ্ছে। তাদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই করা হচ্ছে। অপরদিকে গত ৩ ও ৪ জুন দুটি জিডি দায়েরের পর বনানী থানা পুলিশ এ ব্যাপারে কোনো তদন্তই করেনি বলে নিখোঁজদের আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন। তারা তাদের সন্তানদের ফিরে পাওয়ার জন্য বনানী থানায় যোগাযোগ করলে ওসির পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে গত বুধবার বনানী থানার ওসি ফরমান আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিখোঁজের ঘটনায় দায়ের করা জিডির বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত কোনো জিডি হয়নি।
 
বৃহস্পতিবার দৈনিক ইত্তেফাকে  ‘বনানীতে আবারও চার যুবক নিখোঁজ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে দুই জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বজলুর রহমান ও এসআই সোহেল রানাকে ডিএমপি সদর দফতর থেকে তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নির্দেশনা দেন শীর্ষ কর্মকর্তারা।
 
ইত্তেফাক/এমআর