অন্ধকার
আমার এক কান্নার কথা মনে পড়ে,
সূর্যিত সকালে
কে যেন শূন্য মাঠে রেখে গেল
মনে পড়ে।
অজানা আমার জন্মদিন।
বোন নেই। ভাই নেই। বন্ধু নেই।
কড়া নাড়ার মতন কোনো দরজা নেই।
মানুষের মতো দেখতে কিছু লোক
আমাকে পড়ায় সুনীতিবিদ্যার পাতা।
সারাদিন কথা বলা,
রাজপথে, ঠাণ্ডা ঘরে,
উপপথে চলাফেরা করা
‘ফাজিল চালাকে’রা
আমার নামে পরামর্শকেন্দ্র খোলে।
অক্ষরের কাছে যাই
করজোড়ে বলি :
‘আমাকে বানান করতে কোন কোন অক্ষর লাগে
নাকি সেই সব অক্ষর কোনো ভাষাতেই নেই।’
পাখিরা আমাকে ভালোবাসে
মেঘের নগরে নিয়ে যায়।
ঘুমন্ত শিশুর হূদয়ে শান্তিতে থাকি।
জাতিসংঘ কি বিবেক-দিবস ঘোষণা করবে?
পরাশক্তি ভেটো দিতে পারে।