গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিক্রির চেষ্টাকালে পল্লিসংলগ্ন কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গ বোডিংয়ের সামনে থেকে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বুধবার রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় নারী পাচারকারী মিজানুর রহমান ওরফে জিয়ারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। জিয়ারুল রাজশাহীর বাঘা উপজেলার লক্ষ্মীনগর গ্রামের তফিল উদ্দিন গারোয়ানের ছেলে।
উদ্ধার হওয়া কিশোরী জানায়, সে হবিগঞ্জ জেলা সদরের সুলতানশি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। মাসখানেক আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিয়ারুলের সাথে তার পরিচয়। এরই সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এক পর্যায়ে বুধবার তাকে বিয়ের প্রলভোন দেখিয়ে জিয়ারুল দেখা করে। কিন্তু ভণ্ড প্রেমিক তাকে বিয়ে করার পরিবর্তে সরাসরি দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে।
গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি মো. এজাজ শফী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌনপল্লিতে বিক্রির চেষ্টাকালে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মিজানুর রহমানকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।