বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে একা খেতে বেশিরভাগ মার্কিন নারীর অনীহা

মার্কিন নারীদের অধিকাংশই বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে একা বসে কোথাও খেতে চান না। নিউইয়র্ক টাইমস এর নতুন এক জরিপে এমনটিই ওঠে এসেছে। এছাড়া সম্প্রতি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও বলেছিলেন যে তিনি তার স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো একলা নারীর সঙ্গে খেতে বসবেন না কখনো। যদিও এটি নিয়ে চোখ কপালে তুলেছিলেন অনেকে। তারপর থেকে অনেক আলোচনাও চলেছে এ নিয়ে।
 
কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র মাইক পেন্সই নন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেকে এমনটা ভাবেন। জরিপে দেখা যাচ্ছে, অর্ধেকের মতো নারী মাইক পেন্সের সঙ্গে একমত। আর ৪৫ শতাংশ পুরুষ তার সঙ্গে একমত। আর যদি পানীয়ের প্রসঙ্গ আসে? সে প্রশ্নই আসেন না। শুধুমাত্র ২৯ শতাংশ নারী চিন্তা করে যে একা একা কোনো পুরুষের সঙ্গে খেতে বসা কোনো সমস্যার বিষয় নয়।
IMG0
যদিও মর্নিং কনসাল্টের সহায়তায় এই জরিপটিতে মাত্র সাড়ে তিনহাজার মানুষ অংশ নিয়েছে। তবে এই জরিপের ফলাফল গ্রহণযোগ্য বলে মত দিয়েছে ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান, অন্যদিকে ৭১ শতাংশ ডেমোক্রেট বলেছে এমনটা হতে পারে। একইসঙ্গে ধর্মীয়ভাবেও একলা নারী-পুরুষ বসে খাওয়াটা গ্রহণযোগ্য কিনা তা নিয়েও বিপরীতধর্মী মতামত পাওয়া গেছে। দেখা গেছে যারা বেশি শিক্ষিত তাদের কাছে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু যারা এখনো কলেজে পড়া শুরু করেনি তাদের কাছে এমনভাবে খেতে বসার বিষয়টা গ্রহণযোগ্য নয়।
IMG1
অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক স্টিফেন মাইক পেন্সের উদাহরণ টেনে বলেছেন, তিনি তার বৈবাহিক জীবন ভালো রাখার চেষ্টা করছেন। তার সম্মান রাখছেন। ‘এটা আসলে বুদ্ধিমানের মতো চিন্তা। যে যুগে কিম কার্দাশিয়ানের মতো মডেলকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয় সেই যুগে মাইক পেন্সের এমন ভাবনা সত্যিই প্রশংসনীয়’ বলেন স্টিফেন। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/সেতু