ঢাকার সব আবাসিক ও অনাবাসিক ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৪ শতাংশ ফ্ল্যাট খালি আছে, যার মধ্যে ১০% ফ্ল্যাট ভাড়া হবে, আর ৪% ফ্ল্যাট বিক্রি হবে।
অনলাইন ই-কমার্স রিয়েল এস্টেট এজেন্সি বিপ্রপার্টি.কমের পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ঢাকার সব আবাসিক ও অনাবাসিক ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৪ শতাংশ ফ্ল্যাট খালি আছে, যার মধ্যে ১০% ফ্ল্যাট ভাড়া হবে, আর ৪% ফ্ল্যাট বিক্রি হবে।
রাজধানী ঢাকার বনানী, গুলশান-১ ও বাড্ডায় সর্বোচ্চ ২৩% বাসায় ফ্ল্যাট ভাড়া হবে। রামপুরাতে সবচেয়ে কম ৮.৬% বাসা ভাড়ার জন্য খালি আছে।
অন্যদিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সর্বোচ্চ ৬% বাসা/ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য খালি আছে। এর পরপরেই আছে বাড্ডা, মালিবাগ ও শান্তিনগর(৫%) । আর রামপুরায় খালি আছে মাত্র ০.৪% বাসা।
গুলশান-২-এ ২ বেডরুমের বাসাভাড়া গত ১ বছরে ৫৭০০০ থেকে বেড়ে বর্তমানে ৬৫০০০ এ এসে দাড়িয়েছে, যা কিনা এ বছরের গড়ানুপাতিক হারে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি (১৪%)। অপরদিকে নিকেতনে ৩ বেডরুমের বাসাভাড়া ৩২০০০ থেকে বেড়ে হয়েছে মাত্র ৩২৫০০ টাকা, যা গড়ানুপাতিক সর্বনিম্ন বৃদ্ধি (১.৫৬%)।
জুনে ঢাকায় ২ বেডরুমের গড় বাসা ভাড়া ১৭৫০০ টাকা এবং ৩ বেডরুমের গড় বাসাভাড়া ৪০০০০ টাকা। ১ বছরে ঢাকায় ২ বেডরুমের বাসাভাড়া বেড়েছে ১০০০ টাকা, আর ৩ বেডরুমের বাসাভাড়া বেড়েছে ১৫০০ টাকা।
ঢাকায় ফ্ল্যাট ক্রয় বিক্রয়ে প্রতি বর্গফুট দাম কমেছে অধিকাংশ এলাকায়। এ বছর প্রতি বর্গফুট জায়গার মূল্য ৭০০০ টাকা, যা গতবছর ছিল ৯০০০টাকা। ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে মূল্য শতকরা ২৮.৫৭% হারে হ্রাস পেয়েছে।
ফ্ল্যাটের দাম প্রতি বর্গফুট হিসেবে সর্বোচ্চ গুলশান ২-এ ১৬০০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪০০০ টাকা মিরপুরের শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়ায়।
বাসা বা কমার্শিয়াল স্পেস ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট এজেন্সির সাহায্য নেয়ার হার জুন মাসে মে মাসের তুলনায় ২৬% বেড়েছে।
আবার, ফ্ল্যাট কেনা/বিক্রির ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট এজেন্সির সাহায্য নেয়ার হার জুন মাসে মে মাসের তুলনায় ৩৩% বেড়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি