জেলার সুবর্ণচরে স্বামীকে মারধর করে আটকে রেখে ছয় সন্তানের জননীকে (৩৫) গণধর্ষণের ঘটনায় মামলার ৫ নম্বর আসামি হেলাল ওরফে রিপন গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। সকালে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনীতা গুহের আদালতে হেলাল আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ নিয়ে আদালতে দুই আসামির আত্মসমর্পণসহ সাতজন গ্রেফতার হলো। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চত করেন। তিনি জানান, গত বুধবার একই আদালতে মামলার ১ নম্বর আসামি আবুল কালাম ওরফে বেসু মাঝি আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত সোমবার গ্রেফতারকৃত দুই আসামির মধ্যে আবুল বাসারকে ৩ দিন এবং ইউসুফ মাঝিকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃত আরমান, রুবেল ও রায়হান এবং আদালতে আত্মসমর্পণকারী বেসু মাঝিকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত তা শুনানির জন্য আগামী রবিবার ধার্য করেন।
মঙ্গলবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার নারীর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়। বুধবার বিকালে হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক ছৈয়দ মহিউদ্দিন মো. আবদুল আজিম জানান, মেডিক্যাল বোর্ড ধর্ষণের আলামত পেয়েছে। রিপোর্ট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের উত্তর বাগ্যায় গত রবিবার রাতে ওই নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় পরদিন নির্যাতিতার স্বামী আট জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো চারজনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় মামলা করেন। তার মধ্যে গতকাল পর্যন্ত এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং আদালতে দুইজন আত্মসমর্পণ করেন।