২৫ বছর পাড়ি দেয়া তমালিকার গল্প

 
পঁচিশ বছর আগে অভিনয়ে পা রাখা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমালিকা কর্মকার। গেল জানুয়ারিতে অভিনয়ের পথচলার ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তিনি। অভিনয়ের দীর্ঘ পথচলায় যে মানুষটির প্রতি তিনি সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ সেই মানুষটি হলেন তারই মা শিশির কণা কর্মকার।
 
এরপর বিভিন্ন সময়ে তার অভিনয়ের পথচলায় তাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তার নাটকের দলের মানুষ, বিভিন্ন সহশিল্পী, বিভিন্ন নাট্যনির্মাতা। তবে দর্শকই তাকে আজকের তমালিকাতে পরিণত করেছেন এটা তিনি অনায়াসে স্বীকার করেন। শুধু তাই নয় তার আজকের আজকের অবস্থানের পিছনে অভিনয়ের প্রতি তার প্রবল আগ্রহ, একাগ্রতা, নিষ্ঠাই তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
 
মঞ্চে তমালিকা প্রথম অভিনয় করেন ১৯৯২ সালে ‘আরণ্যক’র হয়ে মামুনুর রশীদের রচনায় ও আজিজুল হাকিমের নির্দেশনায় ‘পাথর’ নাটকে। এরপর তাকে একই দলের হয়ে ‘খেলা খেলা’,‘ ইবলিশ’, ‘শত্রুগণ’,‘উপরওয়ালা’, ‘জয় জয়ন্তী’, ‘রাঢ়াং’, ‘ময়ূর সিংহাসন’, ‘ভঙ্গবঙ্গ’, ‘দ্য জুবিলি হোটেল’সহ আর বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেন। দলের বাইরে তিনি ‘প্রাচ্যনাট’র হয়ে ইমনের নির্দেশনায় ‘মায়ের মুখ’ নাটকেও অভিনয় করেছেন। তমালিকা কর্মকার কয়েকদিনের মধ্যেই একসঙ্গে নতুন তিনটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন।
 
নাটক তিনটি নির্মাণ করবেন মান্নান হীরা, গোলাম সোহরাব দোদুল ও দীন মোহাম্মদ মন্টু। তার অভিনীত ‘রেডিও জকি ও কতিপয় গল্প’, ‘ডিবি’, ‘সং-সার’ নামক দুটি ধারাবাহিক ভিন্ন দুটি চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে। তমালিকা প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন প্রয়াত শেখ নিয়ামত আলী নির্দেশিত ‘অন্য জীবন’-এ।
 
২০০০ সালে সেলিম আল দীন রচিত আবু সাইয়ীদ পরিচালিত ‘কীর্ত্তনখোলা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ চলচ্চিত্র হলো হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’।
 
ইত্তেফাক/আনিসুর