পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের যৌথ তদন্তকারী দল (জেডআইটি) প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জনের তথ্য পেয়েছেন। জেডআইটি এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর বেশ চাপে রয়েছেন নওয়াজ। তবে তিনি এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
গত সোমবার বিচার বিভাগীয় সংস্থাটি কর্তৃক আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্জিত উপার্জনের চেয়েও অনেক বেশি সম্পদ রয়েছে শরিফ পরিবারের। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ‘পানামা পেপারস’ নামে খ্যাত বিশ্বের নামীদামী ব্যক্তিদের অবৈধ ব্যবসায়ের গোপন নথি ফাঁস হলে তাতে নওয়াজ শরিফ ও তার পরিবারের বেশকিছু সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়। এর পরপরই সুপ্রিম কোর্টের যৌথ তদন্তকারী দল এ বিষয়ে তদন্তে নামে। শরিফ পরিবারের সম্পদের অনুসন্ধানে দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে এবং সোমবার আদালতে দলটি তাদের পর্যবেক্ষণ জমা দেয়।
প্রতিবেদনটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে এর কিছু তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিরোধীদলীয় নেতা ইমরান খান নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদনটিতে কেবল নওয়াজ শরিফই নন, তার পরিবারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে নওয়াজ শরিফের কন্যা মারিয়াম নওয়াজ শরিফ টুইটারে এক বার্তায় বলেন, জেডআইটির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। যেকোনো অসঙ্গতি কেবল তর্কবিতর্কের জন্ম দেয় তা নয়, বরং তা সুপ্রিম কোর্টের ওপর মানুষের অনাস্থা সৃষ্টিতেও যথেষ্ট। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/সাব্বির