দশমিক গণনা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনার প্রথা প্রথম চালু করে চীনারা খৃ.পূর্ব ১৪ শতাব্দীতে। তারা একশ সংখ্যা গণনায় সংখ্যার প্রান্তে তৃতীয় স্থানীয় মানের অঙ্ক তৈরি করেছিলো যেমনটি আমরা আরবী পদ্ধতিতে করে থাকি। মেসোপটোমিয়ানরা যেমন অঙ্ক চিহ্নের আনুভূমিক ও উলম্ব অবস্থানের বিনিময় করতো তেমনি চীনারা তাদের অঙ্ক চিহ্নগুলোকে এমনভাবেই বিকশিত করেছিলো যাতে করে অঙ্কগুলো তাদের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় মান প্রদর্শন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ চারশত সংখ্যায় শতক নির্দেশের জন্য চারের থাকতো একটি লুপ-এ সংযুক্ত ত্রিভূজ।
সংখ্যা লিখনে প্রথম শূন্য চিহ্নের ব্যবহার করেছিলো খৃ.পূ. ১ম সহস্রাব্দে চালদিয়ান (ব্যাবীলন) বিজ্ঞানীরা। ফাঁপা শূন্য (০) চিহ্ন গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত (খৃ.পূ. ৬০০) তারা ভরাট বৃত্তের ব্যবহার করতো। তবে এটিকে তারা হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে ব্যবহার করতো। দশমিক গণনা পদ্ধতিতে শূন্যের প্রথম আধুনিক প্রয়োগ করেছিলো ভারতীয় গণিতবিদরা ৬৮৩ খ্রিস্টাব্দে। যেমন—... দিয়ে ৬০৫ সংখ্যাটি বুঝানো হতো যেখানে মধ্যবর্তী স্থানের বৃত্তটির মান শূন্য। বর্তমানের মতো ফাঁপা বৃত্তের শূন্য চিহ্নের ব্যবহার শুরু হয় এর তিন বছর পর ৬৮৬ খ্রিস্টাব্দে।