ইন্টারনেটের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে চ্যাট (অনলাইনে খোশগল্প) ও ইলেক্ট্রনিক মেসেজ আদান প্রদানের হার বেড়েছে। প্রথম দিকে কেবল লিখিত বার্তা আদান প্রদান হতো এসব ক্ষেত্রে। কিন্তু ধীরে ধীরে ইয়াহুসহ বিভিন্ন চ্যাট সার্ভিসে যোগ করা হলো ‘ইমোজি’। ইমোজি হচ্ছে মুখের ছবি ব্যবহার করে নানারকম অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা। এর ফলে অন্যের কাছে আনন্দ, বিষাদ, ভালোবাসা ইত্যাদির অনুভূতিগুলো প্রকাশ করা সহজ ও আকর্ষণীয় হয়ে গেল। এরপর ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও যুক্ত হয়ে যায় ইমোজি।
এখানেই শেষ নয়, ইমোজির জনপ্রিয়তার কারণে চলে আসে এর ইউনিকোড ভার্সনও। অনেকের ধারণা, ইমোজি বোধহয় ইন্টারনেটের প্রচলন শুরু হবার পর তৈরী হয়েছে। কিন্তু লন্ডনের একদল প্রত্নতত্ত্ববিদ জানিয়েছেন, তারা ৩ হাজার ৭০০ বছর আগের একটি মৃিশল্পের গায়ে ইমোজির সন্ধান পেয়েছেন! অর্থাত্ ওই সময়ও মানুষ ইমোজির ব্যবহার শিখেছিল। সিরিয়া সীমান্তে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খননের সময় এই শিল্পকর্মটি পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এটি খ্রীষ্টপূর্ব ১৭০০ সনের হতে পারে। গঠন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এই মৃত্পাত্রটি বিভিন্ন রকম পানীয় পানের জন্য ব্যবহূত হতো। এর গায়ে দুটি পৃথক ইমোজি আকা আছে। -এনডিটিভি
ইত্তেফাক/নূহু