এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৫০ শতাংশ

মানিলন্ডারিং ও জঙ্গি এবং সন্ত্রাসের অর্থায়নে এক বছরে এক হাজার ৬৮৭টি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ইউনিট (বিএফআইইউ)। আগের অর্থবছরে এক হাজার ৯৪টি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৫৪ শতাংশ।
 
মঙ্গলবার প্রকাশিত বিএফআইইউয়ের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বার্ষিক রিপোর্টে এসব তথ্য জানা গেছে।
 
জঙ্গি বা সন্ত্রাসে অর্থায়ন, ঘুষ-দুর্নীতি বা বেআইনি কোনো লেনদেনের বিষয়ে সন্দেহ হলে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্য রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে রিপোর্ট করে। যা সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর) হিসেবে বিবেচিত। একই ভাবে সাত লাখ টাকার ওপরে যে কোনো ধরনের লেনদেন হলে তা নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) হিসেবে রিপোর্ট করতে হয়।
 
বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়, গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, ক্যাপিটাল মার্কেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অর্থপ্রেরণ ও আনয়ণকারী প্রতিষ্ঠান এক হাজার ৬৮৭টি এসটিআর করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ১৪১টি করে এসটিআর পেয়েছে। আগের অর্থবছর প্রতিমাসে এসটিআর আসে ৯১টি করে।
 
ওই রিপোর্টে দেখা যায়, অর্থপাচার, জঙ্গি ও  সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অর্থায়ন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে ব্যাংকের মাধ্যমে নগদ টাকার লেনদেন বাড়ছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে নগদ লেনদেনের (সিটিআর) এক কোটি ২৭ লাখ রিপোর্ট পাঠিয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এর সঙ্গে অর্থের পরিমান ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবছরের তুলনায় সিটিআর বেড়েছে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ।

ইত্তেফাক/এএম।