আলোচনা সভায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
‘পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ২২ বছরেও পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় স্থানীয়দের ভেতরের চাপা ক্ষোভ বিস্তৃত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে মিটিং, মিছিল, সমাবেশের অধিকার নেই। অপারেশন উত্তরণ, অপারেশন দাবানল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১১ দফা নির্দেশনা পার্বত্য জাতিগোষ্ঠীর লোকজনের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন করার স্বাধীনতা ও চলাচলের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে সংঘাতের পর চুক্তি হলো। তখনই বলা হয়েছিল, এই চুক্তিটি একটি সান্ত্বনা চুক্তি। আসলে এটা শান্তি চুক্তি না, এটা পার্বত্য চুক্তি। পাহাড়ি বলে তাদের বিচ্ছিন্ন করা হয়। তারা বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের শোষণ আর বিভাজনের কারণে যে বৈষম্য তৈরি হয়, সেটার বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়। জাতীয় গণফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা রজত হুদা বলেন, চট্টগ্রামে যে শোষণ, লুণ্ঠনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা সারা দেশে বিরাজ করছে। পাহাড়ে ও সমতলে মানুষকে বাঁচাতে হলে প্রগতিশীল লোকদের লড়াই করতে হবে। আরো বক্তব্য রাখেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মন্টি চাকমা ও কেন্দ্রীয় গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সদস্য সুপ্রিতি চাকমা।
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেখক সমিতির সভাপতি হাসিবুর রহমান, মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিচালক নাসির উদ্দিন এলাল, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুনয়ন চাকমা প্রমুখ।