নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, সরকার সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং নৌপরিবহনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সেই কারণে সরকার আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় বাণিজ্যকে সহজীকরণের জন্য ১১৮টি নৌপথ খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি শনিবার বিকেলে খুলনা শিপইয়ার্ডে পায়রা বন্দরের জন্য নির্মিতব্য দুটি পাইলট বোট এবং দুটি হেভি ডিউটি স্পিড বোটের কিল লেয়িং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরির হাত ধরে দেশ আজ সবক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করে চলেছে। তারই একটি প্রমাণ এই খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড। বিগত দিনগুলোতে এই শিপইয়ার্ড যুদ্ধ জাহাজসহ ৭শ' ৩৬টি নতুন জাহাজ নির্মাণ করে। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূর প্রসারী সিদ্ধান্তে এই শিপইয়ার্ড নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তখন থেকেই প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক হয়ে উঠে।'
'সরকার সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং নৌপরিবহনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে' উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'যার কারণে ৯০ ভাগ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমুদ্র বন্দর ও নৌপথ ব্যবহার করেই হয়ে থাকে। ইতোমধ্যে মংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেল খনন করা হয়েছে।' তিনি জানান, '২০২৩ সালের মধ্যে পায়রা সমুদ্র বন্দর পূর্ণাঙ্গ বন্দরে পরিণত হবে, তখন দক্ষিণাঞ্চলের লোকজনের জীবনমানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।'
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাগেরহাট -৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডোর এম জাহাংগীর আলম। স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর আনিছুর রহমান মোল্লা। অন্যান্যের মধ্যে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (এম) রিয়ার এডমিরাল এম শফিউল আজমসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/জামান