বঙ্গবন্ধু পরিবারের খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী পলাতক খুনিদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার দাবিতে মানববন্ধন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
 
শোকের মাস আগস্টে মাসব্যাপী কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাকায় আয়োজিত এক মানববন্ধনে ছাত্রলীগের কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয়, হল ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনটি রাজধানীর শাহবাগ থেকে সুপ্রিমকোর্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ছিল।
 
মানব বন্ধনে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে বিশ্বাসঘাতক খুনিরা। দীর্ঘদিন সেই খুনিরা রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত হলে পরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সেই খুনিদের বিচারের আওতায় এনে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু এখনো কিছু খুনি বিদেশী রাষ্ট্রে পলাতক আছে। এখন তাদেরকেও দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মধ্যদিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
 
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার বিচার দাবি করে সোহাগ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের যারা শেল্টার দেয় ওই জঙ্গীমাতা খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়াকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
 
IMG0
 
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া জন্মদিনের কেক কাটার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। মানব বন্ধনে তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির জনকের মৃত্যুর দিন উল্লাস করতেই খালেদা জিয়া ভুয়া জন্মদিন পালন করেন।
 
মানববন্ধন শেষে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকর করার দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান।পররাষ্ট্র মন্ত্রীর পক্ষে এই স্মারকলিপি গ্রহণ করে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এসময় প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়র আলম জানান যে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশ থেকে পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার আন্তরিক ভাবে কাজ করছে।
 
ইত্তেফাক/ রেজা আকাশ