সেই কবে স্বামীর হাত ধরে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে নিজের দেশ ছেড়ে এসেছিলেন তিনি। দুই দেশে তার দুই বাড়ি। পাকিস্তানে কেটেছে ছোটবেলা, আর বিবাহসূত্রে ভারতে পেয়েছেন নতুন একটি ঘর। প্রতিবেশি দুই দেশ যতোই বিবদমান হোক না কেন, মন খারাপটা তো আর ভাগাভাগি হয় না। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই মনের কিছুটা পড়ে থাকত বাপের বাড়ি পাকিস্তানেই। আত্মীয়-স্বজন ছাড়া বিদেশ বিভুঁইয়ে মন টিকত না। সেই সময় থেকেই রাষ্ট্রীয় সেবক সংঘে কাজের সুবাদে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে পরিচয়।
প্রথম থেকেই মোদীর ব্যক্তিত্ব আর আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা টানতো তাকে। সেই থেকেই ভাইয়ের মতো তার হাতে রাখি বাঁধতে শুরু করেন কামার মহসিন শেখ। এরপর প্রায় ২০ বছর ধরে মোদীকে রাখি পরান ওই মুসলিম নারী। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে কামার মহসিন বলেন, সেই সময় আরএসএসের কর্মী ছিলেন মোদী। তার স্বতঃস্ফূর্ত স্বভাব খুবই ভাল লাগতো। সংঘের এক অনুষ্ঠানেই তর হাতে প্রথম রাখি বাঁধতে শুরু করি।
তখন থেকে আজও প্রতি বছর এই নিয়ম চলে আসছে। তবে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর এত ব্যস্ততার মধ্যে তার সঙ্গে দেখা হবে কি না তা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল মহসিনের মনে। সেই দ্বন্দ্ব অবশ্য কাটে দু’দিন আগেই। যখন খোদ মোদীর কাছ থেকেই রাখি বন্ধনের ডাক পেয়ে একটি ফোন আসে তার কাছে। এরপরই নতুন উদ্যমে রাখির প্রস্তুতি শুরু করেন মহসিন। -আনন্দবাজার পত্রিকা
ইত্তেফাক/নূহু