স্পোর্টস রিপোর্টার
টানা পঞ্চম ম্যাচ হারলো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) শুক্রবার রাতে শেষ পরাজয়টি ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে। ব্যবধান পাঁচ উইকেটের। এবার আক্ষরিক অর্থে বিরাট কোহলির ব্যাঙ্গালুরুকে একাই হারিয়েছেন ক্যারিবিয়ান দানব আন্দ্রে রাসেল।
প্রথমে ব্যাট করে তিন উইকেটে ২০৫ রান করে ব্যাঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে ১৫.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান করে কলকাতা। এসময় ২৬ বলে ৬৭ রান দরকার ছিলো কলকাতার। তখনই উইকেটে যোগ দেন রাসেল। ব্যাট হাতে নেমে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ফুটিয়ে দলকে দুর্দান্ত এক জয় এনে দেন রাসেল। ১৯ নম্বর ওভারে ব্যাঙ্গালুরুর টিম সাউদির করা শেষ পাঁচ বল থেকে ২৮ রান করেন তিনি।
রাসেল অপরাজিত ছিলেন ৪৮ রানে। তার ১৩ বলের ইনিংসে মাত্র একটি চার ও সাতটি ছক্কা ছিলো। সুবাদে এবারের আসরে কলকাতার চতুর্থ ম্যাচে তৃতীয়বারের মত ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন ‘দানব’ রাসেল। চলতি আইপিএলের আসরে ব্যাট হাতে ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ ২২টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন তিনি।
এই হারে ছক্কা হাঁকানোর রহস্যটা কি? জবাবে অতিমানবীয় এক জয় ছিনিয়ে নিয়ে ফেরা রাসেল বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিশ্বের কোনো মাঠই আমার জন্য যথেষ্ট বড় নয়। আমি আমার ক্ষমতায় এটি বিশ্বাস করি। হাত এবং চোখের যোগসাজশ এখানে বড় ফ্যাক্টর। বিশেষ করে লো ফুলটস ডেলিভারিগুলোতে। কারণ লো ফুলটসে বড় শট খেলা কঠিন। আমি চেষ্টা করি হাত খুলে খেলার। নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টাই করি সব সময়।’
২৬ বলে ৬৭ রান দরকার ছিলো কলকাতার, এই সময় আসলে কেমন মানসিকতা নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন? - এই ব্যাপারে রাসেল বলেন, ‘যখন ২৬ বলে ৬৭ করতে হবে, তখন জয়ের কোনো নিশ্চয়তা আপনি দিতে পারবেন না। তখন আপনার শেষটা দিয়ে চেষ্টা করতে হবে। টি-টোয়েন্টির বৈশিষ্ট্যই এমন যে এক ওভারেই ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে। তাই আমি কখনো আশা হারাই না। নিজের আত্মবিশ্বাস থেকেই দলকে জয় উপহার দিতে পেরেছি।’
চারটি ম্যাচ শেষে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়ের সংখ্যা এখন তিনটি। পয়েন্ট ছয়। সবার নিচে আছে ব্যাঙ্গালুরু। বিরাট কোহলির দলটি পাঁচটি ম্যাচ খেলে ফেললেও এখন অবধি জয়ের মুখ দেখেনি।