একেবারে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রশাসন চালাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে তার দুর্বলতা ফুটে উঠছে গত কয়েকমাস ধরে একের পর এক নিজের নিয়োগ দেয়া উচ্চপদস্থ কর্তাদের বরখাস্ত করার ঘটনায়। এদের অনেককে চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনায়ও পড়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ট্রাম্পের বরখাস্ত তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও হোয়াইট হাউজের ‘চিফ স্ট্র্যাটজিস্ট’ স্টিভ ব্যানন। ট্রাম্পের পরিবার ও অন্য ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধে জড়ানোয় ডানপন্থী এই নীতিনির্ধারককে অব্যাহতি দেয়া হয় গতকাল (১৮ আগস্ট)।
IMG0
এর আগে এরকম বরখাস্তের শিকার হওয়ার উচ্চপদস্থ কয়েকজন হলেন- জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন। তাকে বরখাস্ত করা হয় ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে (গত ১৩ ফেব্রুয়ারি)। এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি ট্রাম্পের খড়গের শিকার হয়েছেন গত ৯ মে। হোয়াইট হাউজের কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর মাইকেল ডাবকে পদত্যাগ করেন ৩০ মে। কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর অ্যান্থনি স্কারামুসিকে নিয়োগ দেয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে গত ২১ জুলাই বরখাস্ত করা হয়।
IMG1
তাছাড়া হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ রেইন্স প্রিবাসকে বরখাস্ত করা হয় ২৮ জুলাই। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার চাপের মুখে পদত্যাগ করেন ২১ জুলাই। ক্ষমতা গ্রহণের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বহিষ্কার করা হয় ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের স্যালি ইয়েটসকে (৩০ জানুয়ারি)। ইয়েটস অবশ্য ওবামা প্রশাসনের সময় নিয়োগ পেয়েছিলেন। বিজনেস ইনসাইডার।
ইত্তেফাক/সেতু