সোনার বাংলা গড়তে ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে সত্যিকারের ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 
 
রবিবার মতিঝিলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 
 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ও পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসতিয়াক আহমেদ।
 
বিএফআইডিসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল কাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসতিয়াক আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রইছ-উল-আলম মণ্ডল এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অমিত কুমার বাউল। 
 
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘পাকিস্তানিরা আমাদের দাবিয়ে রেখেছিল। তারা আমাদের ভেড়ার সঙ্গে তুলনা করত। বঙ্গবন্ধু দেখিয়ে দিলেন আমরা বাঘের জাতি, আমরা বীরের জাতি। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানিদের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। শুধুমাত্র ১৫ আগস্ট এলে আমরা বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করি, আর সারা বছর ভুলে থাকি, এটা ঠিক নয়। আমাদের প্রত্যেকটি কাজে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মাথায় রাখতে হবে।’ 
 
মন্ত্রী আরো বলেন, বৈষম্যমূলক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কারণে আমরা পাকিস্তানিদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলাম। পাকিস্তান ছিল একটি বৈষম্যমূলক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা। সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছিল বঙ্গবন্ধুর যুদ্ধ। তার অকাল প্রয়াণে আমরা সেই ব্যবস্থা এখনো ভাঙতে পারিনি। কারণ বৈষম্য এখনো আছে। 
 
তিনি বলেন, আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিচ্ছি। কিন্তু বড়লোকরা একটি পরিবার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। তাদের এক পরিবারের বিদ্যুৎ দিয়ে এক হাজার পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো সম্ভব। এ বৈষম্য দূর করতে হবে। এটা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরিপন্থী। এটা মেনে নেয়া যায় না।
 
তিনি বলেন, শুধু শোক দিবস নয়, সারা বছর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে কাজ করতে হবে। বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে।
 
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার আবির্ভাব না হলে এ দেশ এখনো পরাধীন থাকত। আমরা অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব। বাসস
 
ইত্তেফাক/ইউবি