পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষক মোমিনের (৩৫) ডান হাত কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিযেছে প্রতিপক্ষের লোককজন। এ সময় ওই কৃষককের পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখমও করা হয়।
রবিবার সকাল সাতটার দিকে নাটোরের গুরুদসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের হরদমা গ্রামের ন্যাংরার মোড় নামক স্থানে ওই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় কৃষক মোমিনকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানিয়েছেন, গুরুতর আহত অবস্থায় কৃষক মোমিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ডান হাত কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলো। এছাড়া শরীরটা ক্ষতবিক্ষত ছিলো। এ কারণে প্রচুর রক্তক্ষণ হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, আহত কৃষক মোমিনের বাড়ি উপজেলার হরদোমা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. শুকুর সরদারের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী কৃষক আবু হানিফ জানান, রবিবার সকালে মোমিনের সঙ্গে তিনি, রবিউল, সেন্টু, মকুল হরদোমা বিলে ভুট্টা উঠানোর জন্য জমিতে যাচ্ছিলেন। মোমিনের বাড়ির অদূরে ন্যাংরার মোড়ে পোঁছালে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের রমিজুলের ছেলে রাসেল (২৫), শরিফের ছেলে সোনা উল্লা (৩০), ময়েনের ছেলে টগর (৩৫), সোরাপের ছেলে জমিনসহ বেশ কয়েকজন মোমিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে মোমিনের ডান হাত কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। এ সময় কৃষক মোমিনের কাটা হাতটি খোঁজ করে পায়নি পুলিশ। এ ব্যপারে হামলাকারীরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুনঃ সেনবাগে ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে উত্তপ্ত পরিবেশ শান্ত রাখার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ইত্তেফাক/নূহু