ইরানের বিরুদ্ধে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশেষ করে দেশটির ইরাক এবং সিরিয়ায় শিয়া গোষ্ঠীকে মদদ দান ও তাদের নানাভাবে সমর্থন করায় এই ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সাবেক ও বর্তমান ছয় কর্মকর্তার তরফ থেকে এ খবর পাওয়া গেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিম ম্যাটিস এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ.আর.ম্যাকমাস্টারসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা তৈরি করেছেন। সূত্র জানায়, আগামী শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ট্রাম্পের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। সূত্রের দুইজন কর্মকর্তা জানান, সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এ বিষয়টি পুরোপুরি খোলামেলা হবে। তারা জানান, যেহেতু ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়নি ,তাই তারা তাদের নাম প্রকাশে অপারগতা জানান।
একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার পূর্বসূরিদের দেওয়া নির্দেশসমূহকে এক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে মার্কিন নীতি বাস্তবায়নের তারা ব্যাপক কৌশলগত পদ্ধতি অবলম্বন করতে যাচ্ছেন। কর্মকর্তা আরো বলেন, এগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে করা হবে। অন্য আর একজন কর্মকর্তা বলেন, আমরা এটা বলতে পারি যে, ইরানের নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক কৌশলগত দিক প্রণয়ন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এসব নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে, অর্থনৈতিক দিয়ে ইরানের মদদদান,সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সমর্থন, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বিশেষ করে ইরাক,সিরিয়া এবং ইয়েমেনের প্রেক্ষাপটে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রস্তাবের মধ্যে সাইবার গুপ্তচরবৃত্তি ও পারমাণবিক বিস্তার রোধে পদক্ষেপ নেওয়ারও কথা বলা হয়েছে। খসড়া প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, ইরান যদি ২০১৫ সালে করা চুক্তিকে লঙ্ঘন করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা হবে। তবে এসব ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/সাব্বির