বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, মাদকের উৎস নির্মূলে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কেন তরুণ-তরুণীরা মাদকে আকৃষ্ট হচ্ছে, কীভাবে তাদের কাউন্সেলিং করা যায়, তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় কী-কী করা যায় এসব বিষয় সমন্বয় করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারলে মাদকের রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হওয়া যেতে পারে। পরিবার থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
মঙ্গলবার ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশ উন্নত হচ্ছে, ঢাকার আশপাশের উপজেলাগুলোয় মাইগ্রেশনও বাড়ছে। এ কারণে এসব এলাকায় অপরাধ প্রবণতাও বাড়তে পারে। প্রতিটি উপজেলার জন্য একটি মাস্টার প্ল্যান করতে পারলে আগামীর সমস্যা ও সম্ভাবনা অনুসারে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে।
নসরুল হামিদ বলেন, ঢাকার আশপাশের উপজেলাগুলোতে যেহেতু কর্মচঞ্চলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেহেতু এসব এলাকায় কর্মজীবী মহিলাদের জন্য হোস্টেল করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। ইতোমধ্যে কেরানীগঞ্জের জন্য মাস্টার প্ল্যান ও মহিলা হোস্টেল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রতিটি পরিকল্পনার সাথে ভবিষ্যৎ সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কীভাবে উন্মুক্ত স্থান বাড়ানো যায় তার জন্য তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনকে জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে পরিকল্পনা গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে ঢাকা মহানগর এলাকায় বিভিন্ন আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৪০ জনকে কারাদ- ও ২২ লাখ ৭৭ হাজার ৯১৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জুলাই ২০১৭ মাসে মোট ৩৪৮টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।ঢাকা জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমানসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা