সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান না থাকায় পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একশ' ৫৫টি। তার মধ্যে কলেজ সাতটি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০টি, মাদ্রাসা ১১টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা তিনটি, কিন্ডার গার্টেন স্কুল ৩০টি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৮৩টি।
এসব প্রতিষ্ঠানের সাতটি কলেজের মধ্যে উপজেলা সদরে অবস্থিত প্রধান দুই কলেজ হাজী কোরপ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ও কামারখন্দ মহিলা ডিগ্রি কলেজ এ দুই কলেজ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে। যার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২০টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। দুটিতে আরো একটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ছিল যা সম্প্রতি পূরণ করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষকের পদ সবচেয়ে বেশি শূন্য রয়েছে প্রাথমিকে যেখান থেকে শিশুদের বেড়ে ওঠা সেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৮৩ টি যার ২১টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষক না থাকা এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক দিয়েই চলছে প্রধান শিক্ষকের কাজ। ফলে এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এসব প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ পূরণ করে শিক্ষার গুণগতমান চাঙ্গা করার দাবি অভিভাবক মহল ও স্থানীয় এলাকাবাসীর।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, বর্তমান সরকার শতকরা ৬৫ ভাগ কোঠায় শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। যা অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর হবে। কার্যকর হলে এসব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণ হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠান প্রদানের শূন্য পদ গুলো পূরণের দায়িত্ব ম্যানেজিং কমিটির। কমিটি নিয়োগ দিলে শূন্য পদ গুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দিন জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে শূন্য পদ গুলোর বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। মাধ্যমিক ও কলেজগুলো স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ দিবেন।
ইত্তেফাক/জামান