মাছের নামে মানুষ বিষ খাচ্ছে

পৃথিবীতে এমন কোনো জীব নাই যেটি খাবার ছাড়া বেঁচে থাকতে পারে। জীবের আকার অনুযায়ী আহারের মাত্রা নির্ধারিত হয়। আর এই আহারের জোগান দিতেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে মত্স্য খাত। মাছ চাষে বহু আগে থেকেই খ্যাতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু বর্তমানে মাছচাষিরা অধিক লাভের আশায় মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করেছে নিষিদ্ধ মুরগির বিষ্ঠা, ট্যানারি বর্জ্য দিয়ে তৈরি ফিস ফিড, কেমিক্যাল অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনজেকশনসহ নানা ওষুধ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, ঐসব খাবারে থাকে রাসায়নিক দ্রব্য ক্ষতিকর মাইক্রোসেলস নামে এক ধরনের সিসা বা লেড, যা মাছের মধ্য দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করে। ফলে মানবদেহে হূদযন্ত্রের রোগ, বন্ধ্যত্ব, ক্যান্সার, স্মৃতিলোপ, অ্যার্থ্রাইটিস, অ্যাজমা ও কিডনি ড্যামেজ পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া অধিক লাভের আশায় মনোসেক্স কালচারের মাধ্যমে সব কৈ মাছ স্ত্রী লিঙ্গে রূপান্তর এবং তেলাপিয়া মাছকে পুংলিঙ্গে পরিণত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় মাছকে হরমোন প্রয়োগ করা হয়, যা মাত্রাতিরিক্ত হলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে বন্য মাছ বা প্রাকৃতিক মাছ খাওয়া ভালো, কারণ এটি চাষ করা হয় না এবং আমাদের জন্য স্বাস্থ্যকর।

ফখরুল ইসলাম সুজন

শিক্ষার্থী, ফিসারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগ,

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,

নোয়াখালী