স্থানান্তরের দাবি এলাকাবাসীর
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে জনবহুল আবাসিক এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে এলপিজি (তরলিকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার গোডাউন। ফলে বিস্ফোরণ ঝুঁকিসহ অগ্নি দুর্ঘটনা শঙ্কা বিরাজ করছে জনমনে। অগ্নি দুর্ঘটনা ঝুঁকি এড়াতে গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউন আবাসিক এলাকা থেকে অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরের কুঠিপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন বিশাল গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনসহ বড় বাজার এলাকা, একতারা মোড়, নারিকেলতলা ও সরকারি কলেজ মাঠের সামনেসহ শহরের জনবহুল আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউন ও বিক্রয় কেন্দ্র। এসব গোডাউনে শত শত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মওজুদ করে রাখা হয়েছে। এছাড়া শহরের অধিকাংশ মুদি দোকান ও অন্যান্য বিপণী বিতানের সামনেও জড়ো করে রাখা হয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার। তবে এলপিজিসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রিতে এদের অধিকাংশেরই নেই কোনো ছাড়পত্র।
জনবহুল আবাসিক এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের গোডাউন স্থানান্তরের দাবি করেন শহরের আড়ুুয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা রোটারিয়ান জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকে। এছাড়া ঝুঁকি এড়াতে এলপি গ্যাসসহ সব ধরনের দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ ও বিপণনে ডিলারসহ সকল ব্যবসায়ীর লাইসেন্স শর্তসহ অনুস্মরণে তিনি জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
শহরের একতারা মোড়স্থ এলপি গ্যাসের ডিলার আলিফ আখলাখ স্টোরের স্বত্বাধিকারী রাজু আহম্মেদসহ অন্য এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা জানান, গ্রাহকদের কাছে সহজে গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহসহ বাড়তি পরিবহন খরচ কমাতে শহরের মধ্যে তারা গোডাউন গড়ে তুলেছেন।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক ফিরোজ কুতুবী জানান, জনবহুল আবাসিক এলাকায় এলপি গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউন স্থাপনের সুযোগ নেই। লাইসেন্স শর্ত কেউ ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।