কঙ্গোর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বুরুন্ডির ১৮ শরণার্থী নিহত

দেশে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হওয়া দাঙ্গা চলাকালে বুরুন্ডির অন্তত ১৮ শরণার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে কঙ্গোর নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার ওই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে শরণার্থীরা প্রতিবাদ করার সময়ে গ্রেপ্তার কয়েকজন স্বদেশবাসীকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন, এ সময় পুলিশ ও সৈন্যরা গুলিবর্ষণ করে।  
 
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলীয় বুরুন্ডি সীমান্তবর্তী কামানিয়োলা শহরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন স্থানীয় আন্দোলনকারী ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো।  আন্দোলনকারী ওয়েন্ডো জোয়েল জানিয়েছেন, শরণার্থীরা একটি অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে এক সৈন্যকে হত্যা করেছে। জোয়েল এ কথা বললেও অন্যান্য সূত্রগুলো তার এ বক্তব্য নিশ্চিত করতে পারেনি। জোয়েল বলেন, “সৈন্যরা প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে, কিন্তু সেখানে অনেক শরণার্থী ছিল। আমি ৩২টি লাশ গুনেছি। আরো প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন।” পশ্চিমা এক কূটনীতিক জানিয়েছেন, অন্তত ১৮ জন শরণার্থী মারা গেছেন এবং আরো বহু আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর স্থানীয় এক মুখপাত্র দিয়েউডোন্নে কাসেরেকা জানিয়েছেন, শরণার্থীরা ছুরি-চাপাতি নিয়ে সৈন্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, তবে সেখানে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কি না তা তার জানা নেই।
 
২০১৫ সালের এপ্রিলে বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট পিয়েরি নকুরুনজিজা তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট থাকার ঘোষণা দিলে বিষয়টিকে অসাংবিধানিক দাবি করে বিরোধীরা বাধা দেয়। এতে দেশজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে চার লাখেরও বেশি বুরুন্ডিয়ান দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী কঙ্গোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
 
সেনাবাহিনীর স্থানীয় এক মুখপাত্র দিয়েউডোন্নে কাসেরেকা জানিয়েছেন, শরণার্থীরা ছুরি-চাপাতি নিয়ে সৈন্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, তবে সেখানে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কি না তা তার জানা নেই। রয়টার্স।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির