কাঁচপুরে যুবলীগের কার্যালয়ে গুলি, আটক এক

 
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের কার্যালয়ে গুলি করা হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
 
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের প্রধান কার্যালয়ে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান লিটন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান শহীন, আশেক আলীসহ ১৫/২০ জন দলীয় নেতাকর্মী শুক্রবার রাতে সভা করছিলেন।
 
এ সময় কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ, যুবলীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, সুমন মিয়া, রিফাত হোসেন, সুমন ওরফে ভাগিনা সুমনসহ একদল সন্ত্রাসী অফিসে গুলি করে। এতে অফিসের দরজার গ্লাস ছিদ্র হয়ে যায়। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
 
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে একটি গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কুতুবপুর এলাকার ইলিয়াস মিয়ার ছেলে রিফাত মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
 
শফিকুল ইসলাম খান লিটন বলেন, ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জের ধরেই প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অফিস কার্যালয়ে এসে গুলি চালায়। অল্পের জন্য আমি বেঁচে যাই।
 
কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, আমি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
 
উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার বলেন, যুবলীগ কার্যালয়ে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে তাদের আটক করা উচিত।
 
সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম বলেন, যুবলীগ কার্যালয়ে গুলি বর্ষণের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
 
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে রিফাত মিয়া নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা করা হবে।
 
ইত্তেফাক/ আরকেজি