অ্যাঙ্গোলার রাজধানী লুয়ান্ডার রাস্তায় কিছুক্ষণ হাটাহাটি করলেই আপনি টের পাবেন, অনেক নারী ব্যবসায়ী আছেন যারা পণ্য আমদানির বড় কোনো আনুষ্ঠানিকতায় না গিয়ে সুটকেসে করে জিনিসপত্র এনে বিক্রি করেন। অনেকে একে ‘সুটকেস ব্যবসা’ও বলে থাকেন। কারণ এখানে লোকজনের নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসই আসছে বিদেশ থেকে। এই বিষয়টিকে পুঁজি করে অ্যাঙ্গোলায় গড়ে উঠেছে নতুন এ বাণিজ্য।
IMG0
জানা গেছে, ব্রাজিলের সংস্কৃতি আর জীবনাচারের সঙ্গে খুবই মিল রয়েছে অ্যাঙ্গোলার বাসিন্দাদের। এর কারণ ঐতিহাসিকভাবে এই দুই দেশই এক সময় পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল। ফলে ব্রাজিলে ফ্যাশনে যখন যা বাজার চলতি, তখনই তার চাহিদা বাড়ে এই দেশে। কিন্তু বিক্রেতা বা আমদানিকারকেরা বলছেন, ইদানীং কালে একই নকশার কাপড়-চোপড় তারা চীন থেকে আনতে শুরু করেছেন। তারা বলছেন, চীনে যাওয়া আসা ব্রাজিলে যাবার থেকে সহজ আর দামও তুলনামূলকভাবে কম।
আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে লুয়ান্ডায় জীবনযাপনের খরচ অনেক বেশি। এর প্রধান কারণ বাজারের জিনিসপত্রের প্রায় পুরোটাই আমদানি করা। দেশটির এমনকি একেবারে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরাও বিদেশী জিনিস ব্যবহার করেন। আর সেকারণেই এই ব্যবসায়ীরাও ক্রমেই দেশবিদেশ যাচ্ছেন নতুন নতুন চাহিদার যোগান দিতে। বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু