যুক্তরাষ্ট্রের হ্যামিল্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর জে এ আর্স্টলিং বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রয়োজন নতুন নতুন উদ্ভাবন। একই সঙ্গে নতুন নতুন উদ্ভাবন যুগোপযোগী আইনের মাধ্যমে মেধাসত্ত্ব নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার ‘হার্নেসিং আইপিআর ফর সাসটেইনেবল গ্রোথ ইন বাংলাদেশঃ অপর্চুনিটিজ, চ্যালেঞ্জেস এ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এখন বাংলাদেশের উচিত হবে মাদ্রিদ ও পিসিটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার ব্যাপারে বিবেচনা করা যার মাধ্যমে বাংলাদেশী উদ্ভাবনকে বহির্বিশ্বে সুরক্ষা প্রদান করা যাবে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আরও আগ্রহী হবেন এবং ট্রিপস চুক্তির আওতায় প্রাপ্ত সুবিধাসমূহও বঞ্চিত হবেনা।
বাংলাদেশের মেধাসত্ত্ব আইনকে যুগোপযোগী করার জন্য তার সহযোগিতার প্রয়োজন হলে, তিনি সদা প্রস্তুত থাকবেন বলে জানান।
সেমিনারে বাংলাদেশ আইপি ফোরামের চেয়ারম্যান জনাব কাজী জাহিন হাসান বলেন, দেশে মেধাসত্ত্ব নিশ্চিত করার সংস্কৃতি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ আইপি ফোরাম। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত মেধাসত্ত্ব নিয়ে কাজ করছে। গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের সিএমও প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা, কপিরাইট আইনের সংশোধন, খসড়া ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন এর রিভিউ সহ আরও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার এবিএম হামিদুল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো মনজুরুর রহমান, বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মোঃ মুনীর চৌধুরী, বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস এর রেজিস্ট্রার জাফর আর. চৌধুরী, পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এর রেজিস্ট্রার মোঃ সানোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি ফোরামের চেয়ারম্যান জনাব কাজী জাহিন হাসান। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন এটুআই প্রোগ্রামের পরিচালক (ইনোভেশন) এবং যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।
ইত্তেফাক/রেজা