রোহিঙ্গাদের মধ্যে আইএসআই-আইএস রয়েছে, ফেরত পাঠাতে হবে

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, রোহিঙ্গাদের ভারতে থাকতে দিলে সেটা হবে বিরাট নিরাপত্তা ঝুঁকি কারণ তাদের অনেকের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের সংযোগ রয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর এক পিটিশনের জবাবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার এ কথা বলে।
 
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বলে, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত, আদালতের এখানে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। ভারতে থাকা ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করা হয়।
 
আদালতে ভারতীয় সরকার বলে, ভুয়া নথি ব্যবহার করে পরিচয়পত্র তৈরি করে নিচ্ছে রোহিঙ্গারা। যদি তাদের ভারতে থাকতে দেয়া হয় তাহলে একজন ভারতীয়র বৈধ অধিকার বঞ্চিত করা হবে। এতে সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি হবে। কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিমকোর্টে বলে, শরণার্থী বিষয়ক কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি ভারত সাক্ষর করেনি, তাই রোহিঙ্গাদের রাখার কোনো বাধ্যবাধকতা সরকারের নেই। এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
 
শুনানির আগে ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থে। এটা একটা সংবেদনশীল ইস্যু, সরকার যাই করবে তা জাতীয় স্বার্থে করবে। মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে ভারতের সমালোচনা করে জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের উদ্দেশ্যে রিজিজু বলেন, ভারত একটি সার্বভৌম দেশ, এবং আমাদের দেশকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, ভারতের রোহিঙ্গাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট। হিন্দুস্তান টাইমস।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির