বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংর্ঘষে ২০জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বরগুনা সার্কিট হাউজ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে, কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের তিনবছর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সভাপতি হিসেবে আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাড. জাবির হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।
IMG0
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কমিটি গঠন নিয়ে আয়োজিত সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সকালে সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন এবং বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারজানা সবুর রুমকীর সমর্থকরা মিছিল নিয়ে বরগুনা সার্কিট হাউস মাঠে জড়ো হতে থাকেন।
রুমকীর সমর্থকরা ‘রাজাকার মুক্ত আওয়ামী লীগ চাই’ প্লেকার্ড নিয়ে রিমনকে রাজাকারের ছেলে উল্লেখ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে রিমনের লোকজন রুমকীর সমর্থকদের উপর হামলা চালান।
পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষ বেঁধে যায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় কেন্দ্রীয় নেতারা সার্কিট হাউসের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। তারা হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আলহাজ্জ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম।
IMG1
সংর্ঘষের প্রসঙ্গে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য টুলুর মেয়ে ফারজানা সবুর রুমকী বলেন, ‘সভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে আমার কর্মী-সমর্থকরা দলীয় স্লোগান দিয়ে আসছিলেন। এ সময় সংসদ সদস্য রিমনের অন্যতম ক্যাডার মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়।
সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, ‘আমি সভায় ব্যস্ত আছি, এ নিয়ে পড়ে কথা হবে’।
ইত্তেফাক/ আরকেজি