হাসপাতালে স্বামীর গলাকাটা লাশ রেখে পালালেন স্ত্রী

 
স্বামীকে গলাকেটে হত্যার পর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছেন স্ত্রী। স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্বামীকে হত্যা করা হয় বলে জানা যায়। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার রাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
 
স্বামী আবদুর রহিম মঞ্জু পেশায় সিএনজি অটোরিকশা  চালক ছিলেন। তিনি উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামের কোরবান আলীর ছেলে।
 
জানা যায়, ৩নং ওয়ার্ডের ফাতেমা মঞ্জিলের ২য় তলায় মো. আবদুর রহিম মঞ্জু (৩০) ও তার স্ত্রী জাকিয়া বেগম রোকসানা (২২) ভাড়া থাকতেন। রোকসানার পরকীয়া প্রেম ছিল।
 
পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মঞ্জুকে গলাকেটে হত্যা করেন রোকসানা, তার ভাই ও ভাগিনা । ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার আগেই শুক্রবার ভোরে রোকসানা ও তার লোকজন এ্যাম্বুলেন্সযোগে লাশ ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লাশ ফেলে রেখে রোকসানা ও তার লোকজন পালিয়ে যান।
 
দায়িত্বে থাকা আবাসিক চিকিৎসক শুক্রবার বিকেল ৫টায় ফেনী মডেল থানায় খবর দিলে এসআই সুরজিৎ হাসপাতালে আসেন। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
 
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বির নেতৃত্বে পুলিশ সন্ধ্যা ৬টায় নিহতের বাসা তল্লাশি করে। এ সময় বাসায় কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফাতেমা মঞ্জিলের নিরাপত্তা রক্ষী নজরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।
 
এসআই সুরজিৎ জানান, লাশ ময়নাতদন্তের পর নিহতের ভগ্নিপতি মিয়াধনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বি জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ আসলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
 
ইত্তেফাক/ আরকেজি