দিনাজপুরের বিরলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আমন চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। তারা দিনরাত চেষ্টা করছেন ঘুরে দাঁড়ানোর। আবারো ভরে গেছে সবুজের মাঠ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে যাচ্ছে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা করতে কেউ বসে নেই।
সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সম্প্রতি-কালের বন্যায় উপজেলার আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়া জমিতে কৃষি অফিসের পরামর্শে আবারও ধান রোপণ করেছে কৃষকরা। তবে কোন কোন কৃষক এখনও চারা ধান রোপণ করছে। দিনরাত পরিশ্রম করছে যাতে বন্যায় ক্ষতি হওয়ার পর তেমন প্রভাব না পড়ে আমন ক্ষেতে।
বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়া রাজারামপুর গ্রামের কৃষক মুকুলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ১৫ বিঘা জমির ধান বন্যায় নষ্ট হয়ে যায়। বন্যা পানি নেমে যাওয়ার পর তিনি পুনরায় চারা সংগ্রহ করে আবার জমি রোপণ করেন। তবে এক্ষেত্রে পুনরায় চারা লাগাতে তাকে এনজিও থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। তারপরও আমন রোপা লাগানোর ক্ষেত্রে দিন রাত পরিশ্রম করছেন যাতে ভাল ফসল তুলতে পারেন।
সাইতাড়া ইউনিয়নের কৃষক মোকারম হোসেন বলেন, কৃষি অফিসের লোকজন বাড়িতে আসছে ধান লাগানোর জন্য তারা সহযোগিতা করেছে। তবে বন্যা পরবর্তী যদি সরকারি সহায়তা পর্যাপ্ত হতো তাহলে হয়ত ধার দেনা করে আমন রোপণ করতে হত না। বর্তমানে আমন চারা রোপণ করা হয়েছে। এখন নিড়ানি ও সারের প্রয়োজন। এক্ষেত্রেও টাকার প্রয়োজন। তাই ঋণের বোঝা থাকছেই আমন চাষের ক্ষেত্রে।
তিনি আরো বলেন, কৃষি কাজেই যেহেতু আমাদের জীবিকা নির্বাহের পথ ও কর্ম সেহেতু আবাদ করতেই হবে। আবাদ না করলে খাবো কি চলবো কিভাবে।
ইত্তেফাক/জামান