টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

 
কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি জওয়ানেরা পৃথক অভিযান চালিয়ে অনুপ্রবেশকালে ১৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার চার লাখ ৯৫ হাজার ৮শ ৫ পিস ইয়াবা ও মোবাইলফোনসহ মিয়ানমারের দুই নাগরিককে আটক করেছে। 
 
সূত্র জানায়, আজ রবিবার ভোর সাড়ে ৩ টার দিকে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দমদমিয়া বিওপির হাবিলদার মো. লুৎফর রহমান (বিজিবিএম, পিবিজিএমএসের) নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসার গোয়েন্দা সংবাদ পেয়ে নেচারপার্ক বরাবর নাফনদীতে টহলে যায়। কিছুক্ষণ পর একটি হস্তচালিত নৌকা বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে। ওই নৌকা থেকে দুই ব্যক্তি ২টি বস্তাসহ স্থলে উঠার চেষ্টা করলে বিজিবি চ্যালেঞ্জ করলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন বিজিবি টহলদল ধাওয়া করে বস্তা দুইটিসহ দুইজনকে আটক করে।  
 
আটকরা হলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডু থানার মাঙ্গালার মৃত সিরাজুল মোস্তফার পুত্র মো. কামাল আহম্মদ (৪৫) ও বসেদ আলীর পুত্র মো. ইলিয়াস (৩০)। 
 
IMG0
 
এমতাবস্থায় আরো চার জন লোক নৌকা নিয়ে নাফনদীর শূন্যরেখা অতিক্রম করে ওপারে চলে যায়। ঘটনাস্থল থেকে 
জব্দ ইয়াবা ভর্তি ২ টি বস্তা ব্যাটালিয়ন সদরে নিয়ে গণনা করে ১৩ কোটি ৭ লাখ ৪১ হাজার ৫শ টাকার ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৮শ ৫ পিস ইয়াবা বড়ি ও ২ হাজার টাকা মূল্যের মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। 
 
নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা রাখার অপরাধ এবং অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ধৃতদের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা দায়েরের পর টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। 
 
এদিকে, একদিন ভোর সাড়ে ৪টায় নাজিরপাড়া বিওপির হাবিলদার মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহলদল বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ইউপিস্থ গফুর প্রজেক্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় 
এক কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যমানের ৬০হাজার পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করে। তা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশে ধ্বংস করার ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। 
 
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এসএম আরিফুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেন। 
 
ইত্তেফাক/কেকে