অবৈধভাবে মজুদ করার অভিযোগে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ঢোলভাঙ্গা বাজারের মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্সের পাঁচটি গুদাম থেকে দুই হাজার দুইশ' ২৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় ওইসব গুদামে থাকা তিন হাজার একশ' ৭১টি খালি চটের বস্তা ও নগদ ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৯ টাকাও জব্দ করা হয়।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আশিক রেজা এক অভিযান পরিচালনা করে এই গুদামগুলো সিলগালা করেন। এনিয়ে রবিবার পলাশবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
'মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্স' নামে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পলাশবাড়ী উপজেলার ঝালিঙ্গি গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হক খন্দকারের তিন ছেলে। তার হলেন যথাক্রমে মাহফুজার রহমান খন্দকার ফুল মিয়া, হারুনার রশিদ খন্দকার ও মোমিনল ইসলাম খন্দকার আরিফ মিয়া।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আমজাদ হোসেন জানান, অভিযানে ঢোলভাঙ্গা বাজারের সাদুল্লাপুর উপজেলার সীমানায় একটি ও পলাশবাড়ী উপজেলার সীমানায় চারটি গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা প্রতিটি ৫০ কেজি ওজনের দুই হাজার দুইশ' ২৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। যার মোট ওজন একশ' ১১ দশমিক ৬০০ মেট্রিকটন। এসব চাল মজুদ করার কোন বৈধ কাগজ পত্র তাদের নেই।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আশিক রেজা মুঠোফোনে জানান, গোপন খবরে এ অভিযান চালনা করা হয়েছে। এসময় চালের বস্তা ছাড়াও তাদের পাঁচটি গুদামে থাকা খালি চটের বস্তা ও নগদ টাকাও জব্দ করে গুদাম পাঁচটি সিলগালা করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ওসি মাহমুদুল আলম জানান, এই ঘটনায় পলাশবাড়ী সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসিএলএসডি) আল-আউয়াল বাদী হয়ে খন্দকার ট্রেডার্সের মালিক মাহফুজার রহমান খন্দকার ফুল মিয়া, হারুনার রশিদ খন্দকার ও মোমিনেুল ইসলাম খন্দকার আরিফ মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তবে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
ইত্তেফাক/জামান