মঠবাড়িয়ায় তিন কিলোমিটার গ্রামীণ পথে চরম ভোগান্তি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার টিকিকাটা ইউনিয়নে গ্রামীণ একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা তিন কিলোমিটার পাকাকরণের অভাবে এলাকার শিক্ষার্থীসহ চার গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রায় অর্ধশত বছরের অধিক পেরিয়ে গেলেও এ এলাকায় উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে তুলতে বহুবার আবেদন-নিবেদন করা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীরা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে আশ্বাস পেতে পেতে আশা ছেড়ে দিয়ে বর্ষা মৌসুমে প্রায় হাঁটুসমান কাদার মধ্য দিয়েই ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয়রা অধিবাসীরা জানান, উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের বাইশকুড়া বাজার থেকে বাদল মেম্বর বাড়ি হয়ে মানিক খাঁর দোকান পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তাটি পাকাকরণের অভাবে বর্ষা মৌসুমে কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলরত স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে প্রাথমিকে পড়ুয়া কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রসূতি রোগীদের পড়তে হয় সীমাহীন ভোগান্তিতে। এছাড়াও এ অঞ্চলের বেশ কিছু মত্স্য, পোল্ট্রি খামার ও উত্পাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মত্স্য খামারি মো. বজলুর রহমান বলেন,  তারা দীর্ঘ বছর যাবত্ কষ্টে আছেন। বর্ষার দিনে রাস্তাতো দূরের কথা একমাত্র খালটি সংস্কারের অভাবে নৌকা দিয়েও খামারের পণ্য আনা-নেওয়া করতে পারছেন না । ওই রাস্তায় রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রিপন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাটি জনগণের চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

ইত্তেফাক/নূহু