বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ লাখ ডলার সহায়তা

ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আরো ৬০ লাখ ডলার জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকে (ডাব্লিউএফপি) প্রদান করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তহবিল ডাব্লিউএফপিকে চলতি বছরের শুরুতে দেয়া দশ লক্ষ ডলারের সাথে যুক্ত হল।  এই সহায়তা খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা প্রদান করতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি দিবে বলে আমেরিকান দূতাবাস থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়।
 
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ডাব্লিউএফপিকে দেয়া এই তহবিল ২০শে সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়া সহায়তার সম্পূরক যার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এবং বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদানকারী গোষ্ঠিগুলো জন্য দুই কোটি আশি লক্ষ ডলার মানবিক সহায়তা।  নতুন এই তহবিলের মাধ্যমে এই অঞ্চলের রোহিঙ্গাদের জন্য ২০১৭ সালের অর্থবছরে প্রায় দশ কোটি দশ লাখ ডলার মানবিক সহায়তা প্রদান করা হল । 
 
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ২০১৭ সালে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএইডের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একুশ কোটি বিশ লাখ ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে।  কক্সবাজারে, ইউএসএআইডি বিভিন্ন কর্মসূচির  মাধ্যমে শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া বাংলাদেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা যার মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষর অগ্রসর,  মানবাধিকার ও তার চর্চা নিশ্চিত করা।  এই সহযোগিতার মধ্যে উদাহরণ হিসেবে রয়েছে পাচারের শিকার হওয়াদের জন্য বিভিন্ন সেবা, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রসমূহ এবং সূর্যের হাসি ক্লিনিকগুলোর জন্য সেবা।
 
বিজ্ঞতিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) এবং ইউএসএআইডি জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এবং রোগবিস্তার প্রতিরোধে সাড়া দিতে বাংলাদেশের সামর্থ্যকে আরও দৃঢ় করতে জন্যস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিডিডিআর,বি এর সাথে অংশীদার হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।  রোহিঙ্গা সংকটে জনস্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে  স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইওএম এবং অন্যান্য অংশীদারদের সিডিসি কারিগরী সহযোগিতাও দিয়ে যাচ্ছে। শরণার্থী স্বাস্থ্য এবং জনস্বাস্থ্য সংকট ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ সিডিসি স্টাফ ওয়াশিংটন ডিসি থেকে কয়েক সপ্তাহের জন্য শরণার্থী ক্যাম্পে স্বাস্থ্য পর্যালোচনা, রোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য কৌশল নির্ধারন, এবং স্বাস্থ্য তথ্য ও ব্যবস্থাপনা সিস্টেম স্থাপন করার জন্য জড়িত থাকবেন। 
 
ইত্তেফাক/রেজা