যোগ্যতাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

বৃটিশ শাসন         

 

প্রশ্ন-১১: বৃটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম কী?

উত্তর: বৃটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের নাম ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ।

প্রশ্ন-১২: ভারতবর্ষ ভাঙ্গার ফলে কী হয়েছে?

উত্তর: ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাঙ্গার ফলে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

প্রশ্ন-১৩: বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সময়ে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্য সংস্থার নাম কী ছিল?

উত্তর: বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সময়ে ইংরেজ বণিকদের বাণিজ্য সংস্থার নাম ছিল বৃটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি।

প্রশ্ন-১৪: পলাশীর যুদ্ধের পরে কী হয়েছিল?

উত্তর: পলাশীর যুদ্ধের পরে বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা হয়েছিল।

প্রশ্ন-১৫: পলাশীর যুদ্ধ কার কার মধ্যে সংঘটিত হয়?

উত্তর: পলাশীর যুদ্ধ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ইংরেজদের মধ্যে সংঘটিত হয়।

প্রশ্ন-১৬: ইংরেজরা ছাড়া আর কারা বাংলায় বাণিজ্য করতে আসেন?

উত্তর: ইংরেজরা ছাড়া পর্তুগিজ, ডাচ, দিনেমার ও ফরাসিরা বাংলায় বাণিজ্য করতে আসেন।

প্রশ্ন-১৮: ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত কারা বাংলা শাসন করেন?

উত্তর: ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা শাসন করেন।

প্রশ্ন-১৯: বৃটিশদের ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতির ফলে কী হয়েছিল?

উত্তর: বৃটিশদের ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতির ফলে ধর্ম, বর্ণ, জাতি এবং অঞ্চলভেদে মানুষের মধ্যে জাতিগত বৈষম্য সৃষ্টি হয় এবং ইংরেজদের স্বার্থ হাসিল হয়।

প্রশ্ন-২০: ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতি বলতে কী বুঝ?

উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিলো ‘ভাগ কর শাসন কর’ নীতি। এ নীতির ফলে ধর্ম, বর্ণ, জাতি এবং অঞ্চলভেদে মানুষের মধ্যে জাতিগত বৈষম্য সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন-২১: বাংলার প্রতি ইংরেজদের কেন আগ্রহ ছিল?

উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল ধন-সম্পত্তিতে ভরপুর। এই ধন-সম্পত্তির জন্য বাংলার প্রতি ইংরেজদের আগ্রহ ছিল।