বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন একটি সামষ্টিক সফলতার গল্প: ড. আতিউর

৭০’এর দশকে দেশের অভ্যন্তরে ব্যাপক প্রতিকূল প্রকৃতি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চ্যালেঞ্জিং রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে কৃষি খাতে বাংলাদেশ ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলো। শুরুতে চালের মোট উৎপাদন ছিলো মাত্র ১০ মিলিয়ন টন। আর বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ মিলিয়ন মেট্রিক টনে। একইভাবে মাছ, শাক-সবজি, ভুট্টা, ফল ইত্যাদির উৎপাদন সমান হারে বেড়েছে। এ সব অর্জন সম্ভব হয়েছে নীতি-নির্ধারক, কৃষি-বিজ্ঞানী, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, ব্যাংক, বেসরকারি উদ্যোক্তা এবং সর্বোপরি এদেশের মেহনতি এবং উদ্যোক্তা মনোভাবাপন্ন কৃষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে। 

সোমবার গাজীপুরে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে এক বিশেষ বক্তৃতায় এ কথা বলেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান।

ড. আতিউর আরও বলেন যে, দেশের কৃষকদের উন্নত মানে বীজ সরবরাহ করার পাশাপাশি কৃষি-বিজ্ঞানীরা ৯৪টি নতুন প্রজাতির ধান আবিষ্কার করেছেন। আর ধারাবাহিকভাবে সরকার কৃষি খাতে যে ভর্তুকি দিয়ে গেছে সেগুলোও এ খাতে সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বক্তৃতায় ড. আতিউর বাংলাদেশের অবাক করা সামষ্টিক-অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত করার সুপরিকল্পিত নীতি-কৌশলের ওপর আলোকপাত করেন। 

আরো পড়ুন: হাত নেই, পায়েই ভরসা রাখছেন বিউটি

তিনি বলেন যে, ভবিষ্যতে সবকিছুর কেন্দ্রে থাকবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ই-কমার্স। তাই তিনি কৃষকদেরকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে আহ্বান জানান। 

ইত্তেফাক/অনি