জমি লিখে নিয়ে মা-ছেলেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

 
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বড়ভিটা গ্রামে এক মানসিক রোগীর জমি লিখে নিয়ে সৎ মা সহ তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে সৎ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এতে ওই ছেলেকে সাথে নিয়ে মা আলিমা খাতুন একমাস ধরে প্রতিবেশীর খানকায় রাত কাটাচ্ছেন।
 
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ বড়ভিটা গ্রামের মোজাম্মেল হকের দুই স্ত্রী রয়েছে। তিনি মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর একমাত্র ছেলে মানসিক রোগী ওমর ফারুকের (৩৫) নামে বসতভিটার সাড়ে তিন শতাংশ লিখে দেন। মা আলিমা খাতুন তাকে নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করে আসছিলেন। কিন্তু তার বড় সতিনের ছেলে লেবু মিয়া ওমর ফারুকের মায়ের অনুপস্থিতে তাকে রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে এসে তার শেষ আশ্রয়স্থল বসত ভিটার সাড়ে তিন শতাংশ জমি লিখে নিয়ে মা-ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় আলিমা খাতুন একটি গ্রাম-সালিশি বৈঠক ডাকেন। সালিশি বৈঠকে বিচারকরা লেবুকে জমি ফিরেয়ে দেয়ার চাপ দেয়। কিন্তু লেবু সালিশি বৈঠকের বিচার মেনে না নিয়ে মা-ছেলেকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়।
 
আলিমা খাতুন বলেন, আমার স্বামী মোজাম্মেল হক অন্যান্য ছেলেকে আবাদি জমি দিয়েছে। ওমর ফারুককে শুধু বসতভিটার সাড়ে তিন শতাংশ জমি দিয়েছে। সেটিও লিখে নিয়ে লেবু আমাদের মা ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। এখন আমরা একমাস ধরে প্রতিবেশীর খানকায় আছি। এর বিচার ইহকালে না পেলে পরকালে পাব।
 
বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান বলেন, সালিশি বৈঠকে বিষয়টি আমরা মীমাংসা করার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু লেবু মিয়া আমাদের বিচার মানেনি। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রশিদ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নাই।
 
ইত্তেফাক/জামান