সচেতনতার অভাব, অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকা, বিকল্প সিঁড়ি না থাকা, বিধিমালা না মেনে ভবন নির্মাণ, রাজউকের অনিয়ম—মোটা দাগে এগুলো অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর কারণ। অগ্নিকাণ্ড ঘটলে, প্রাণহানি হলেই হই চই পড়ে যায়। কিন্তু তার আগে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। মৃত্যুই যেন আমাদের সজাগ করার মাধ্যম। নিয়ম না মেনে যাঁরা ভবন নির্মাণ করেন, সাত তলার অনুমোদনে চৌদ্দ তলা করেন—তাঁদের ধরা হচ্ছে না কেন? আর কত প্রাণহানি হলে এই অনিয়ম বন্ধ হবে? ফায়ার সার্ভিসের আধুনিকায়ন সময়ের দাবি। তাদের সক্ষমতা বাড়ানো দরকার। কারণ ঘনবসতির এই দেশে দুর্ঘটনা ঘটবেই। সমস্যা হচ্ছে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে একে অপরকে দোষারোপ করা হয়। যারা দায়িত্বে অবহেলা করল, তাদের বিচার হয় না। ঢাকাতে লাখ লাখ অবৈধ ভবন। যা একদিনে গড়ে ওঠেনি। মতিঝিল, বনানী, ধানমন্ডিতে ভবনের গায়ের সঙ্গে আরেক ভবন। দুই ভবনের মাঝে ফাঁক থাকার কথা। বনানীতে এই ফাঁক থাকলে আগুন নেভানো সহজ হতো। নিমতলী থেকে বনানী। সবগুলো অগ্নিকাণ্ড মানব সৃষ্ট। দুর্ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এইসব হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
মিরপুর ১২, ঢাকা