কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পদ্মানদীতে মা ইলিশ নিধন রোধে পদ্মায় সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মা ইলিশ ধরার অপরাধে এই সময় ৫ জেলেকে আটক করা হয়। এসময় এক লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১০কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
শনিবার রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফের নেতৃত্বে ভেড়ামারা পদ্মানদীর গোরাপ নগর-রায়টা এলাকায় আকস্মিক ভাবে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। মা ইলিশ ধরা অবস্থায় আটক করা হয় ৫ জেলেকে। তারা হলেন, ব্যাপারী পাড়া পাকশীর মনির হোসেন (৪২), পাকশীর আমজাদ হোসেন (৪৫),গোলাপ নগরের রনি (৩৫), পাকশীর রুবেল (৩২), গোলাপ নগরের আমিরুল (২৮)।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মনি, আমজাদ ও রনি প্রত্যেককে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং রুবেল ও আমিরুল প্রত্যেককে ৫হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করা হয়। সাঁড়াশি অভিযানে ছিলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ, জেলা মৎস্য অফিসার গোলাম কিবরিয়া, ভেড়ামারা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার গোলাম সরওয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, পি আইও অফিসার আকানেওয়াজ, প্রকৌশলী শাহাজাহান আলী, পুলিশ ও র্যাবের ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম পদ্মা নদী বক্ষে সাঁড়াশি অভিযান চালায়।
উল্লেখ্য, গত ৬ দিনে, ভেড়ামারায় ২৫টি মামলায় ৩০ জেলেকে ধরে জের জরিমানা করা হয়। দুই লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ এবং আগুন ধরিয়ে ধ্বংস করা হয়। যার মূল্য ৩৩ লাখ টাকা। জরিমানা আদায় করা হয় এক লাখ ৪৯ হাজার টাকা। ইলিশ মাছ জব্দ করা হয় আট কেজি। যা স্থানীয় মাদ্রাসা ও এতিমখানায় প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে- এমাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা যায়।
ইত্তেফাক/জামান