মাগুরায় তাৎক্ষণিক বুদ্ধিতে অপহরণকারীর হাত থেকে রক্ষা পেল সাংবাদিকের কন্যা

 
কেবল উপস্থিত বুদ্ধির জোরে অপহরণকারীর হাত থেকে রক্ষা পেয়ে বাড়ি ফিরে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রী। শহরের চাউলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। জান্নাতুল উপজেলা সদরের বাসিন্দা দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি আশরাফ হোসেন পল্টুর মেয়ে। সে শ্রীপুর এমসি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
 
জান্নাতুল জানায়, সে মঙ্গলবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো স্কুলে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শ্রীপুর থানা জামে মসজিদ মার্কেটের একটি ফলের দোকানের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যাক্তি তাকে ডেকে বলে, তোমার বাবা তোমাকে আমার সাথে ঢাকায় যেতে বলেছে। অস্বীকার করলে ওই ব্যাক্তির  কাছে থাকা একটি চাকু বের করে ভয় দেখিয়ে বলে তার সাথে না গেলে তার বাবাকে ঢাকায় প্রাণে মেরে ফেলা হবে। এরপর অপহরণকারী তাকে কৌশলে শ্রীপুর থেকে বাসে করে মাগুরা শহরের চাউলিয়া বাস স্ট্যান্ডে নিয়ে যায়। এরপর জান্নাতুল দৌড় দিয়ে টিকিট কাউন্টারে গিয়ে দায়িত্বরত কাউন্টার মাস্টারের কাছে ঘটনা খুলে বলে।
 
ঘটনা শুনেই কাউন্টার মাস্টার ফিরোজ হোসেন জান্নাতুলের বাবা পল্টুর কাছে ফোন দেন। তাৎক্ষণিকভাবে পল্টু মাগুরার সাংবাদিক শফিকুল ইসলামের কাছে ফোন দেন। পরে শফিকুল ইসলাম তাকে চাউলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করেন। উল্লেখ্য, জান্নাতুলের বাবা পল্টু বর্তমানে ঢাকার এসপি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 
জান্নাতুলের মা তানিয়া আশরাফি বলেন, একমাত্র বুদ্ধির জোরেই মেয়েকে আমরা ফিরে পেয়েছি। শ্রীপুর থানার ওসি মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/ আরকেজি