রাজাপুরের বড়ইয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাতকাঠি গ্রামের ভাতকাঠি সরকারি বিদ্যালয় এলাকা থেকে পশ্চিম ভাতকাঠি বালিকা বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা স্বেচ্ছাশ্রম ও নিজেদের অর্থায়নে বালু ফেলে নির্মাণ কাজ শুরু করেছে এলাকাবাসী। ওই রাস্তায় বালু ফেলে ইট দিয়ে পাকা করতে এলাকাবাসীর প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হবে। এ অর্থের ব্যয়ভার বহন করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোটারেক্ট ক্লাব অব ইয়াং প্রিমিয়ার, এলাকার কয়েকজন ধনাঢ্য সমাজসেবক ও ভাতকাঠি বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কাজ সম্পন্ন হলে ওই রাস্তার আশেপাশের কাঠাখালি, সত্যনগর, পুটিয়াখালি, উত্তমপুর, সাতআনি ও ভাতকাঠিসহ আটটি গ্রামের আট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ১০ সহস্রাধিক মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
গত রবিবার থেকে ভাতকাঠি সরকারি বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলে পুরোদমে কাজ শুরু করা হয়েছে। এ কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে শিশু-কিশোর, কোমলমতি শিক্ষার্থী ও যুবকসহ সকলে। আর এ উদ্যোগ নিয়ে কাজ বাস্তবায়নের জন্য সমাজসেবী কুলসুম বেগম সেবু, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোটারেক্ট ক্লাব অব ইয়াং প্রিমিয়ার’র সভাপতি রোটাঃ এ এম আলী হায়দার নাফিজ, সহ-সভাপতি রোটাঃ আতিকুর রহমান, শিক্ষক আব্দুল জলিল হাওলাদার, কাসেম তালুকদার, হাজি আদম আলী, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম সিকদার কবির হোসেনসহ স্থানীয় অর্ধশতাধিক লোক মিলে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন এবং অর্থ সহায়তার মাধ্যমে রাস্তা নির্মাণের এ কাজ করাচ্ছেন বলে সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান জানান, আঙ্গারিয়া থেকে ভাতকাঠির পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিষ্ঠানিক এলাকা হওয়ায় এটিতে মাটি ফেলা হলে বর্ষায় কর্দমাক্ত হয়ে যায়। তবে এলাকাবাসী মিলে নিজেদের উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণের লক্ষ্যে বালু ফেলার কাজ করেছে এজন্য তাদের সাধুবাদ জানাই।
উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়। রাস্তাটিতে ইট সলিংয়ের জন্য সহযোগিতা করা হবে। সড়কটি পাকাকরণের জন্য ইতোমধ্যেই ঊর্ধ্বতনের কাছে তালিকাও পাঠানো হয়েছিলো যা পাস হলে এ দুর্ভোগ লাঘব হবে।
ইত্তেফাক/নূহু